![]() |
| চন্দননগর এক্সপ্রেস ঈশান। -ছবি ফেসবুক |
চন্দননগর লক্ষ্মীগঞ্জ বাজার। সকালের চরম ব্যস্ততা। ক্রেতাদের চাপে বৃদ্ধ দোকানির হাঁসফাঁস অবস্থা। তারই মাঝে দোকানির পকেটে হাত। ফোনটা রিসিভ করে কারো সাথে কথা, " কী? কতরান? কত বল বাকি? কটা পড়ল? ও জিতে যাবে"। ফোনটা রেখেই জনৈক ক্রেতাকে বললেন, " বাড়িতে বলে এসছি মাঝে মাঝে খবর দিতে।" তারপরও ক্রেতাদের সাথে চলল খেলার কিছু আলোচনা। না খেলা বলতে বাঙ্গালির ফুটবল বা "বড়দের" ক্রিকেটও নয়। খেলাটি হল অনূর্ধ্ব উনিশ ক্রিকেটের ফাইনাল। দেশের কিছু তরুণ প্রতিভার নিজেদের প্রমাণ করার লড়াই। প্রমাণ করার লড়াই চন্দননগরের ঈশানের। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই চোটের কারণে ছিটকে যাওয়া, আইপিএলের নিলামে প্রত্যেক দলের উপেক্ষার যোগ্যও জবাবের লড়াই। এর আগেও অনেক অনূর্ধ্ব উনিশ ক্রিকেটের বিশ্বকাপ হয়েছে। সত্যি জানিনা এর আগে কখনও চন্দননগরবাসীদের এই টুর্নামেন্ট নিয়ে এত উন্মাদনা ছিল কিনা। আজ সকলেই জানতে চায় খেলার খবর। আজ সবাই ব্যাকুল, সবাই উচ্ছ্বাসিত। এই সবই সম্ভব হয়েছে তোমার জন্য ঈশান। আজ তুমি বিশ্বজয়ী। তুমি দেখিয়ে দিলে 'এভাবেও ফিরে আসা যায়'। সকল চন্দননগরবাসীর পক্ষ থেকে অনেক শুভকামনা।
